কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার, কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত ।

 

কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার

 

কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার:-

কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার এর মধ্যে মিষ্টিপান খুবই জনপ্রিয়।

কক্সবাজার জেলা মূলত নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য এই পৃথিবী বিখ্যাত।  কক্সবাজার জেলার দর্শনীয় স্থানের কমতি নেই। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন কক্সবাজার জেলার অন্তর্ভুক্ত। এই সুন্দর প্রবাল দ্বীপের মোট আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।

হরেক রকমের কাঁকড়া, কচ্ছপ, বিভিন্ন রকমের মাছ, গাঙচিল সহ নানা জাতের পাখি দ্বারা এই দ্বীপটি থাকে সর্বদা কলরিত ও মুখরিত। এই দ্বীপের মিষ্টি শীতল বাতাস, সুবিশাল নির্মল নীল আকাশ আর সমুদ্রের বুকে জেগে উঠা এক একটি ঢেউ সব মিলিয়ে যেন ভ্রমণপ্রেমীদের মন ভরিয়ে দেয় এক স্বর্গীয় সুখে। প্রায় ১২ হাজার মানুষ এখানে বসবাস করে, যাদের প্রধান পেশা হয়ে থাকে মাছ ধরা। এখানে সবচেয়ে প্রিয় খাবার হলো ডাব।

কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী। একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল। প্যানোয়া শব্দটির অর্থ হলুদ ফুল। অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো এই হলুদ ফুলে ঝকমক করত। ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন। কক্স সাহেবের বাজার থেকে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি।

১৮৫৪ সালে কক্সবাজার থানা গঠিত হয় এবং ঐ বছরই কক্সবাজার, চকরিয়া, মহেশখালী ও টেকনাফ থানার সমন্বয়ে কক্সবাজার মহকুমা গঠিত হয়। পরে টেকনাফ থেকে উখিয়া, মহেশখালী থেকে কুতুবদিয়া এবং কক্সবাজার সদর থেকে রামু থানাকে পৃথক করে এই মহকুমার অধীনে তিনটি নতুন থানা গঠিত হয়। ১৯৫৯ সালে কক্সবাজার জেলাকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।

 

কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার

 

১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ কক্সবাজার মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ ২০০২ সালের ২৩ এপ্রিল বৃহত্তর চকরিয়া উপজেলা থেকে পেকুয়া উপজেলাকে পৃথক করা হয়।

১ thought on “কক্সবাজার জেলার বিখ্যাত খাবার”

Leave a Comment