মঙ্গলবার, ২৩ই জুন ২০২৬, ৯শে আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ই জুন ২০২৬, ৯শে আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি কক্সবাজারে নদীতে মিলল যুবকের মরদেহ কক্সবাজারে যাত্রী সেজে গাড়ি ছিনতাই শেষ হলো বার্নিং ক্র্যাব ফেস্টিভ্যাল, নাচগানে মুগ্ধ পর্যটক কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মিললো ৭০ মৃত কাছিম কক্সবাজারে ২০ স্পটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছিনতাইকারী চক্র অবশেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে চালু হচ্ছে নিয়মিত ট্রেন বিলুপ্তির পথে কক্সবাজার সৈকতের লাল কাঁকড়া কক্সবাজারে থাকছে না উন্মুক্ত অনুষ্ঠান লাখো পর্যটকে দেড় হাজার কোটি টাকার ব্যবসা কক্সবাজারে রেজুখাল সেতু বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

কক্সবাজার

কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২ই জানুয়ারি ২০১৫, ৩:৩৫ পিএম

কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ. কক্সবাজার জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত ।

 

কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ

 

কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ:-

নিশি চন্দ্র দে,পঞ্চায়েত প্রধান।

জন্মঃ১৮৭৬, পঞ্চায়েত পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ রাম জীবন দে, মাঃ শারি বালা দে।তিনি ঝিলংজা, পি.এম.খালী ও খুরুশ্কুল সমন্বয়ে গঠিত ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের ১৯১৬হতে ১৯১৯ পর্যন্ত তিন বৎসর পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবংবিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুঃ ১৯৬৬।

শরৎ চন্দ্র পাল,এডভোকেট, রায় বাহাদুর, প্রেসিডেন্ট।

তিনিখুরুশ্কুল পাল পাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। কর্ম জীবনের প্রথম থেকে কক্সবাজারকোর্টে আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ঝিলংজা, খুরুশ্কুল ও পি.এম.খালী সমন্বয়ে গঠিত ইউনিয়ন বোর্ডের ১৯৩২ হতে ১৯৩৬ পর্যন্তচার বৎসর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও কর্ম দক্ষতায় সন্তুষ্ট হয়েব্রিটিশ সরকার তাঁকে রায় বাহাদুর খেতাবে ভূষিত করেন। খুরুশ্কুলে তারনামানুসারে একটি শরৎ চন্দ্র সড়ক রয়েছে (ধীরেণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরদক্ষিণ পার্শ্বের সড়কটি)। দেশ বিভাগের সময় তিনি সপরিবারে ভারতে চলে যান এবংসেখানে ইহধাম ত্যাগ করেন।

শফিকুর রহমান চৌধুরী (ভুলু মিয়া), প্রেসিডেন্ট।

জন্মঃ১৯১২, চৌধুরী পাড়া, পি.এম.খালী, কক্সবাজার। পিতাঃ দেলোওয়ার হোসেন চৌধুরী।মাঃ চেমন আরা বেগম চৌধুরাণী। এন্ট্রার্স ১৯৩৬, চকরিয়া কাকারা উচ্চবিদ্যালয়। প্রথম জীবনে উখিয়া রত্মা পালং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাপ্রধানশিক্ষক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। ১৯৫১ হতে ১৯৫৫ পর্যন্তপি.এম.খালী ও খুরুশ্কুল সমন্বয়ে গঠিত ইউনিয়ন বোর্ডের চার বৎসরপ্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা আন্দোলনেসক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুঃ ২৬ জুন ১৯৯৬।

জালাল আহমদ চৌধুরী,প্রেসিডেন্ট।

জন্মঃ১৮৮০, কাওয়ার পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ রিয়াজ উদ্দীন চৌধুরী, মাঃ বলকিয়াছবেগম। তিনি মাতববর হিসেবেও এলাকায় পরিচিত এবং অত্যন্ত সৎ ও ন্যায় বিচারকছিলেন। ১৯৫৬ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত পি.এম.খালী ও খুরুশ্কুল সমন্বয়ে গঠিতইউনিয়ন বোর্ডের চার বৎসর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। এর পূর্বেমক্কায় গিয়ে পবিত্র হজ্বব্রত পালন করে আসেন। মৃত্যুঃ ১৯৬৬।

মোঃ ওবাইদুল মান্নান, মাওলানা, চেয়ারম্যান।

জন্মঃ১৯১০, মামুন পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল, (একজনদ্বীনদার পরহেজগার এবং অগাধ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন) মাঃ জমিলা খাতুন। ১৯৩৬সালে বাঁশখালী ঐতিহ্যবাহী পুঁইছড়ি মাদ্রাসা থেকে আলিম পাশ করেন। (তখন দাখিলপরীক্ষা চালু হয়নি, ১৯৫০ সাল হতে দাখিল পরীক্ষা চালু হয়)।

১৯৩৮ সালেচট্টগ্রাম দারুল উলুম আলীয়া মাদ্রাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে ফাযিল পাশ করেন।পারিবারিক অসুবিধার কারণে লেখা পড়ায় আর এগুতে পারেনি। জি.টি পাশ করেখুরুশ্কুল মধ্যম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান হিসেবেপ্রায় ১৯ বৎসর শিক্ষকতা করেন। ১৯৬০ সালে খুরুশ্কুল ইউনিয়নের চেয়ার-ম্যাননির্বাচিত হন। দীর্ঘ সাত বৎসর (১৯৬০-১৯৬৬) পর্যন্ত যোগ্যতার সাথে ইউনিয়নেরদায়িত্ব পালন করেছিলেন।

(১৯৫৯/৬০ আয়ুব খানের বুনিয়াদী গণতন্ত্র এবংরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সাত বৎসর পর ইউনিয়ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল)।কমিউিনিটি সেন্টার, খুরুশ্কুল ডাকঘর, কমিউনিটি সেন্টারের পশ্চিমের দীঘিতাঁর আমলেই প্রতিষ্ঠিত হয়। পোষ্ট মাষ্টার হিসেবে বহুদিন কাজ করেছিলেন।বর্তমান পোষ্ট মাষ্টার ছিলেন উনার পিয়ন। দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম জেলার জুরার(জজের পরামর্শদাতা) ছিলেন। মৃত্যুঃ ১২ মার্চ ২০০৩।

ধীরেন্দ্র লাল দে,চেয়ারম্যান।

জন্মঃ১৯২২, উত্তর হিন্দু পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ জগত চন্দ্র দে, মাঃ ধনেশ্বরীদে। ১৯৬০ সালে মাইনরটি ভোটের মাধ্যমে প্রথম মেম্বার নির্বাচিত হন। পরে ইউপিচেয়ার-ম্যান নির্বাচিত হন। (১৯৬৭-১৯৭০)। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এক বছরইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। ১৯৬৮ সালে তিনি এলাকারবিদ্যুৎসাহী লোকজনকে নিয়ে খুরুশ্কুল জুনিয়র হাইস্কুল (পরে খুরুশকুল উচ্চবিদ্যালয়ে উন্নীত হয়) প্রতিষ্ঠা করেন।  বাংলাদেশ চেয়ার-ম্যান সমিতি সিলেটট্রেনিং সেন্টারের (হিন্দু সম্প্রদায়ের) সচিব ছিলেন। সক্রিয়ভাবে কোনরাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না। জেলার ইতিহাসে এক মাত্র তিনিই সংখ্যালঘুদেরমধ্যে প্রথম নির্বাচিত চেয়ার-ম্যান। মৃত্যুঃ ১৮ জানুয়ারী ২০০২।

 

মনিরুল হক চৌধুরী,পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান।

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে তার পরিচিতি মুদ্রন করা হয়েছে।

হাজী সুলতান আহমদ,চেয়ারম্যান।

জন্মঃ১৯২৪, হাটখোলা পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ আমির হোসেন (মাঝি), মাঃ ছৈয়দাখাতুন। তিনি ধারাবাহিকভাবে এলাকার তিন তিনবার মেম্বার এবং ১৯৭১ এর জানুয়ারীথেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ার-ম্যানের দায়িত্ব ও ১৯৭৭ হতে ১৯৮১পর্যন্ত নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারঁপ্রচেষ্টায়খুরুশ্কুলে বিদ্যুৎ সরবারাহ শুরু হয়। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিককর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুঃ ১৯৯৯।

আবু বক্কর ছিদ্দিক,চেয়ারম্যান।

জন্মঃ১৯৪৭, কুলিয়া পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ মখলছুর রহমান। মাঃ মোস্তফা খাতুন।তিনি তিন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ার-ম্যান নির্বাচিত হন (১৯৭২-১৯৭৬, ১৯৮২-১৯৮৬, ১৯৮৭-১৯৯১)। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে চেয়ার-ম্যানথাকাকালীন তাঁর কাছ থেকে গার্ড রাইফেলস্ পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯১ সালের ২৯এপ্রিল ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্থ কুতুবদিয়ার অসহায় লোকজনকে খুরুশ্কুলেস্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেন। (বর্তমানে যা গুচ্ছ গ্রাম নামে পরিচিত)।আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

আমানুল হক (আমান),চেয়ারম্যান।

জন্মঃ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৬, ফকির পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ আলহাজ্ব আলী চাঁদ, মাঃভেলুয়া খাতুন। এস.এস.সি ১৯৮৪, কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এইচ. এস.সি১৯৮৮, জলিল আম্বিয়া কলেজ, চট্টগ্রাম। বি.এ ১৯৯২, কক্সবাজার সরকারি কলেজ।এল.এল. বি পড়াকালে রাজনীতিতে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং দুই বারচেয়ার-ম্যান নির্বাচিত হন(১৯৯২-১৯৯৬, ১৯৯৭-২০০২। বাঁকখালী ব্রীজ, মাঝের ঘাটহতে চৌফলদন্ডী ঘাট পর্যন্ত পাকা রাস্তা, চৌফলদন্ডী খালে জেটি, বেড়ী বাঁধ, জেলেপাড়া ও রাস্তার পাড়ায় দু’টি স্লুইচ এবং এলাকার অনেক কালভার্ট তাঁরপ্রচেষ্টায় হয়েছে।

 

কক্সবাজার জেলা পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ

 

সুবেদার মেজর আবদুল মাবুদ,(অবঃ), চেয়ারম্যান।

জন্মঃ১৫ মে ১৯৫৬, ফকির পাড়া, খুরুশ্কুল। পিতাঃ  কালা মিয়া সিকদার, মাঃ সুফিয়াখাতুন। ১৯৭২ সালে দেশ সেবার ব্রত নিয়ে সেনা বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালেচাকরী থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজেকে সমাজ সেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ১০ফেব্রুয়ারি ২০০৩ সালে খুরুশ্কুল ইউ.পি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন(২০০৩-২০১১)। এলাকার রাস্তা-ঘাট, পুল- কালভার্ট, স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদ-মন্দির, বিভিন্ন সমাজিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, পুন:নির্মাণ এবংসংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়েরপশ্চিম পাশে নব-নির্মিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবন তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ওপ্রচেষ্টার ফসল। তিনি খুরুশ্কুলের প্রাকৃতিক অবস্থান এবং নৈসর্গিকসৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা সমূহের সহযোগিতায়খুরুশ্কুলকে একটি আধুনিক তথা মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তরিত করেন। এইঅভূতপূর্ব উন্নয়নের ফল স্বরূপ ২০০৫-২০০৬ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যাননির্বাচিত হয়ে সমগ্র বাংলাদেশে খুরুশ্কুল তথা এলাকাবাসীর সুনাম বৃদ্ধিকরেন। তাঁর এই কৃতিত্বপূর্ণ অবদান-মানুষ চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

মোহাম্মদ আব্দুর রহিম,মাস্টার, চেয়ারম্যান।

জন্মঃ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৭, কুলিয়া পাড়া, খুরুশ্কুল, পিতাঃ মোস্তাক আহমদ,  মাঃজোবেদা খাতুন। এস.এস.সি ১৯৯৩, খুরুশ্কুল উচ্চ বিদ্যালয়, এইচ.এস.সি ১৯৯৬ ওবি.এ ১৯৯৮, চৌয়ারা আদর্শ ডিগ্রী কলেজ, কুমিল্লা। ২১ জুন ২০১১ সালেনির্বাচিত হয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়ত্ব পালন করেন।

মন্তব্য